Skip to content

Nasir Amin

Dreamer | Traveler | Author

Menu
  • সীরাহ
  • দাওয়াহ
  • কোরআন
  • খ্রিস্টান মিশনারি
  • জীবন ও কর্ম
  • প্রশ্নোত্তর
  • ফেতনা
  • সদকায়ে জারিয়া
  • সাম্প্রতিক
  • হাদিস
  • হেযবুত তওহীদ
Menu

কুরআন—মানবজাতির জন্য চিরন্তন হেদায়েত

Posted on April 25, 2026 by Nasir Amin
  • Nasir Amin

কুরআন মহান আল্লাহ তায়ালার এক অতুলনীয় অনুগ্রহ—মানবজাতির প্রতি তাঁর শ্রেষ্ঠ নেয়ামতসমূহের অন্যতম। তিনি মানবতার কল্যাণে, সকল যুগের জন্য, সকল মানুষের জন্য এই গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর। কুরআন শুধু মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ নয়; বরং এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা নির্বিশেষে সমগ্র মানবতার জন্য এক চিরন্তন গ্রন্থ, এক নূর।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন—“রমযান মাস হলো সে মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে—মানুষের জন্য হেদায়েত…” (সূরা আল-বাকারা : ১৮৫)

‎প্রিয় পাঠক, লক্ষ করুন—এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা “মানুষ” শব্দটি ব্যবহার করেছেন; ‘মুসলমান’ নয়। অর্থাৎ কুরআনের হেদায়েত কেবল মুসলিমদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সকলের জন্যই কুরআন সত্য-সৌন্দর্যের এক মহা আহ্বান। কিয়ামত পর্যন্ত আগত প্রতিটি মানুষের জন্য এটি আলোকবর্তিকা, পথপ্রদর্শক, মুক্তির সনদ।
‎
‎যারা আন্তরিক হৃদয়ে এই গ্রন্থকে আপন করে নিয়েছেন, আল্লাহ তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করেছেন। কুরআনের স্পর্শে অসংখ্য অমুসলিম সত্যের সন্ধান পেয়েছে, খুঁজে পেয়েছে জীবনের উদ্দেশ্য, ফিরে পেয়েছে প্রকৃত মালিকের পথে চলার সাহস।
‎
‎রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাতেও আমরা এমন বহু দৃষ্টান্ত দেখি—যেখানে কুরআনের শব্দ, কুরআনের নূর, কুরআনের প্রভাব অমুসলিমদের হৃদয়কে নরম করে দিয়েছে, সত্যের পথে ফিরিয়ে এনেছে। নীচে কুরআনের প্রভাবে প্রভাবিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ করা হলো—
‎
‎তুফাইল ইবনে আমর দৌসীর ইসলাম গ্রহণ
‎
‎আরব উপদ্বীপের দক্ষিণে দাওস গোত্রের নেতা ছিলেন তুফাইল ইবনে আমর দৌসী রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি ছিলেন দাওস গোত্রপ্রধান, একজন কবি, বাগ্মী, জ্ঞানী ও সম্মানিত নেতা। প্রজ্ঞা, প্রভাব, কাব্যদক্ষতা—সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন তাঁর জাতির শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের একজন। কিন্তু মহান আল্লাহ তাঁর জন্য যে নূরের পথ নির্ধারণ করে রেখেছিলেন, তিনি তখনও তা জানতেন না। হজের মৌসুমে যখন তিনি মক্কার পথে রওনা হলেন, তখন তাঁর অন্তর-আকাশে অজ্ঞতার মেঘ জমে ছিল ।
‎
‎মক্কায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে কুরাইশ নেতারা তাঁর আগমন টের পেয়ে ভয় পেয়ে গেল। তারা জানত—তুফাইলের মতো নেতৃস্থানীয় এবং বিচক্ষণ মানুষ যদি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা শুনে ফেলেন, তবে তাদের মূর্তিপূজার দেয়াল ভেঙে যাবে, অন্ধকারের রাজত্ব ধসে পড়বে। তাই তারা তুফাইলকে ঘিরে ধরল।
‎
‎তারা ভয়মিশ্রিত কণ্ঠে বলল—“তুফাইল! আপনি মহান কবি, বিচক্ষণ নেতা। কিন্তু মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একজন জাদুকর! তাঁর কথা শুনলে মন মোহিত হয়ে যায়, পরিবার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।ছেলে বাবাকে ভুলে যায়। ভাই ভাই পৃথক হয়ে যায়।  আপনি তাঁর কাছাকাছি যাবেন না, তাঁর তিলাওয়াত শুনবেন না, তাঁর ভাষণ থেকে দূরে থাকবেন।”
‎
‎তারা তাঁকে এত ভয় দেখাল, এত সতর্ক করল যে তুফাইলের অন্তরে ভয় ঢুকে গেল। তারা সত্যের সামনে মানুষের বানানো মিথ্যার দেয়াল তৈরি করার বৃথা চেষ্টা করলো। অবস্থা এমন হলো যে তিনি কান বন্ধ করতে তুলা ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিলেন! কেউ যেন তাঁর কান দিয়ে ‘জাদু’ ঢুকাতে না পারে!
‎
‎তুফাইল তুলা লাগানো অবস্থায় কাবার দিকে রওনা হলেন। তিনি তাওয়াফ করছেন, আর এই শহরের অদ্ভুত উত্তেজনা পর্যবেক্ষণ করছেন। হঠাৎই, অজান্তে, তাঁর কানে এমন সুর ভেসে এল—যা মানুষ নয়, যেন আকাশের। এটি ছিল নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তিলাওয়াত। তিনি থেমে গেলেন। তুলা থাকা অবস্থায়ও কুরআনের সুর তাঁর অন্তরের দরজা খুলে দিল।
‎
‎তুফাইল নিজের কাছে বললেন—“আমি তো কবি। ভালো-মন্দ বুঝতে পারি। এত ভয় পেলাম কেন? কেন আমি নিজের জন্য তাঁর কথা শুনবো না, বিচার করবো না? সত্য হলে গ্রহণ করব, অন্যথায় প্রত্যাখ্যান করব।”এই সাহসী সিদ্ধান্তই তাঁর ভাগ্য বদলে দিল। তিনি তুলা খুলে ফেললেন এবং কুরআনের তিলাওয়াত তাঁর হৃদয়কে ছেদ করে ভিতরে প্রবেশ করল।
‎
‎সেদিনই রাতে তিনি গোপনে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেলেন। তাঁর চোখে কৌতূহল, উদ্বেগ; আর অন্তরে ছিল সত্য জনার ব্যাকুলতা, কণ্ঠে ছিল অনুপম কোমলতা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে শান্তভাবে স্বাগত জানালেন। তুফাইল বললেন— “হে মুহাম্মাদ! ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার কিরাত আমি শুনেছি। আপনার কথা শুনতে চাই।”

নবিজি তাঁর সামনে কয়েকটি কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করলেন। প্রতিটি আয়াত তাঁকে ভেঙে দিল, গলিয়ে দিল, নতুন করে গড়ে তুলল।  তুফাইলের চোখে পানি এসে গেল। যে মানুষটি এতক্ষণ মিথ্যার দেয়ালে আবদ্ধ ছিলেন, তিনি এখন সত্যের আলোয় স্নাত।
‎
‎হঠাৎ তিনি চিৎকার করে বললেন—“আশহাদু আল্লা ইলাাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ”। অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই! এবং আপনি আল্লাহর রাসূল!
‎
‎ মক্কার মুশরিক নেতাদের গোপনে কুরআন-শ্রবণ
‎
‎নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনভর মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকতেন এবং রাতে একান্ত নিভৃতে দীর্ঘ সময় কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তাঁর সেই কান্নাভেজা, মধুর তিলাওয়াতের আকর্ষণ ছিল এতই গভীর যে শত্রুরাও তা ঠেকাতে পারত না।
‎
‎মক্কার তিন প্রভাবশালী মুশরিক নেতা—আবু জেহেল, আবু সুফিয়ান ও আখনাস ইবনে শারিক—প্রকাশ্যে কুরআনের বিরোধিতা করলেও গোপনে তারা কুরআনের সুরে মোহিত হয়ে পড়েছিল।
‎
‎রাত গভীর হলে তারা প্রত্যেকে আলাদাভাবে, কারও অজান্তে, নবীজীর ঘরের কাছে গিয়ে বসে কুরআন শুনতে লাগল। নবীজীর সুরেলা তিলাওয়াতের মাধুর্য তাদের হৃদয় কেঁপে তুলল। সারা রাত শুনে ভোরে ফিরে যাওয়ার পথে তিনজনই হঠাৎ মুখোমুখি হয়ে ধরা পড়ে গেল।
‎লজ্জায় পরস্পরকে শাসন করল—“আর কখনো এখানে আসা চলবে না।” পরদিন রাতে সবাই ভাবল—”আজকে কেউ আসবে না, তাই আমি একাই একটু গিয়ে শুনে আসি।” এভাবে তিনজনই আবার লুকিয়ে এসে নবীজীর তিলাওয়াত শুনল। ভোর হলে আবার একই স্থানে মুখোমুখি হয়ে বুঝে গেল—সকলেই প্রতিজ্ঞা ভাঙতে বাধ্য হয়েছে। আবারও কঠিন শপথ নিল—“এভাবে আর আসব না।”
‎
‎তৃতীয় রাতে তারা বিছানায় শুয়ে থেকেও স্থির থাকতে পারল না। কুরআনের সুর যেন দূর থেকেই ডাকতে লাগল। প্রত্যেকে গোপনে বেরিয়ে আবার নবীজীর ঘরের পাশে গিয়ে বসল। সারা রাত মুগ্ধ হয়ে কুরআন শুনল। ভোর হতেই আবার তিনজন তিনজনের সামনে এসে পড়ল—এবার আর অস্বীকার করার জায়গা রইল না। তারা বুঝল—কুরআনের নূরে হৃদয়কে আটকানো যায় না।
‎
‎শেষে তারা শক্তভাবে অঙ্গীকার করল—“এবার সত্যিকারের প্রতিজ্ঞা, আর কখনো আসব না।”
‎যদিও তাদের হৃদয় গভীরে কুরআনের প্রতি আকর্ষণ রয়েই গেল।
‎
‎(সীরাতে ইবনে হিশাম  )
‎
কুরআন তিলাওয়াত শুনে নাজ্জাশির ক্রন্দন
‎
‎ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু ঘটনা রয়েছে, যা মানবহৃদয়ের গভীরে ঈমানের আলো ছড়িয়ে দেয়। তন্মধ্যে অন্যতম হলো হাবশার ন্যায়পরায়ণ রাজা নাজ্জাশি আশহাম (রহ.)—এর সেই আবেগঘন মুহূর্ত, যখন তিনি প্রথমবার কুরআনের আয়াত শুনে অশ্রুসজল হয়ে পড়েছিলেন।
‎
‎মক্কার মুসলমানরা যখন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হাবশার দিকে হিজরত করলেন, তখন কুরাইশ নেতারা নাজ্জাশির দরবারে এসে অভিযোগ নিয়ে হাজির হলো। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতকে মিথ্যে বলে মুসলমানদের ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানালো।
‎
‎নাজ্জাশি ছিলেন ন্যায়বিচারপ্রিয় রাজা। কোন দল যা-ই বলুক, তিনি দুই পক্ষের কথা শুনে সত্য যাচাই করতে চাইলেন। তাই মুসলিম মু’হাজিরদের ডেকে পাঠালেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হযরত জাফর ইবনে আবি তালিব  (রাযি.)— যিনি ছিলেন নবিজির চাচাতো ভাই।
‎
‎নাজ্জাশি তাঁদের জিজ্ঞেস করলেন—মক্কাবাসীরা কেন আপনাদের নিয়ে অভিযোগ করছে? জাফর (রাযি.) অত্যন্ত শান্ত ও দৃঢ় কণ্ঠে তাঁদের পূর্ব জীবনের অজ্ঞতা, নবিজির দাওয়াত, ইসলাম গ্রহণের পরিবর্তন ও কুরাইশের নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরলেন।
‎
‎এরপর নাজ্জাশি জানতে চাইলেন—“তোমাদের নবী কি বলে? তোমাদের কিতাবের কিছু অংশ শোনাও।” তখন জাফর (রাযি.) সূরা মারইয়ামের আয়াত তিলাওয়াত শুরু করেন—যেখানে মারইয়াম (আ.)-এর পবিত্রতা, সন্তান হিসেবে ঈসা (আ.)-এর অলৌকিক জন্ম ও আল্লাহর ক্ষমতার নিদর্শন বর্ণিত হয়েছে। কুরআনের তিলাওয়াত শুরু হতেই দরবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। কুরআনের  আয়াতগুলো রাজা নাজ্জাশির হৃদয়কে এমনভাবে স্পর্শ করল, যেন তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্বেষিত সত্যকে খুঁজে পেলেন।
‎
‎ঐতিহাসিকেরা উল্লেখ করেন— তার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। পাশে দাঁড়ানো খ্রিস্টান ধর্মযাজকরাও কান্না চেপে রাখতে পারছিল না। যখন তিলাওয়াত শেষ হলো, নাজ্জাশি গভীর বোধ ও আবেগে বললেন—“এই বাণী এবং ঈসা ইবনে মারইয়াম সম্পর্কে যা আমাদের কাছে নাযিল হয়েছে—উভয়ের উৎস একই আলো থেকে।”এবং তিনি কুরাইশ দূতদের উদ্দেশে স্পষ্ট ঘোষণা করেন—“তোমাদেরকে আমি কখনোই এই সত্যবাদী মানুষদের ফিরিয়ে দেব না।” পরবর্তীতে নাজ্জাশি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।
‎
‎( সিরাত ইবনে হিশাম, আর রাহীকুল মাখতুম)
‎
‎ বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিকতা
‎
‎কুরআন শুধু নবী যুগে নয়, বর্তমানেও জীবন্ত হেদায়েত হিসেবে মানব সমাজে প্রতিফলিত হচ্ছে। আজও বহু মানুষ কুরআন পড়ে, শোনে বা অন্য কোনোভাবে এর সংস্পর্শে এসে ইসলাম গ্রহণ করছেন। উদাহরণস্বরূপ, ২২ মে, ২০১৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাক এবং দ্য নিউ আরব সংবাদ করেছে, একজন মার্কিন যাজক স্যামুয়েল আর্ল শ্রপশায়ার কুরআনের অনুবাদ করার সময় ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
‎
‎অন্যদিকে, ২৭ মার্চ, ২০১৮ সালে দৈনিক ইনকিলাব সংবাদ প্রকাশ করে যে, কুরআনে ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই মুসলমান হয়েছেন খ্রিস্টান গবেষক অধ্যাপক ড. গ্যারি মিলার। তিনি কানাডার একজন সাবেক খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ছিলেন। কুরআনে ভুল বের করার চেষ্টা করলেও, কুরআনের আধ্যাত্মিক শক্তি ও নিখুঁততা দেখে তাঁর অন্তরে পরিবর্তন আসে এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয় আব্দুল আহাদ উমার।
‎
‎আরও সাম্প্রতিক উদাহরণ, অনলাইন ভিত্তিক সংবাদপত্র BANGLA NEWS 24.com, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২ প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ব্রিটিশ তরুণী গ্যাব্রিলা কুরআন পড়ে “প্রশান্তি অনুভব” করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করে নাম রাখেন ফাতেমা। তিনি তখন ২২ বছর বয়সী ছিলেন। সংবাদপত্র কিংবা সোশাল মিডিয়ায় খুঁজলে এমন আরও শতশত ঘটনা খুঁজে পাওয়া যাবে।
‎
‎এসব ঘটনা প্রমাণ করে, কুরআন এখনও মানুষের হৃদয়ে সরাসরি আলো ছড়াচ্ছে এবং মানুষের জীবন পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। তবে, আমাদের বাস্তবতায় দুঃখজনক সত্য হলো, আমরা নিজেরা কুরআন পড়ি না, এর শিক্ষা গ্রহণ করি না এবং এর আলোকে জীবন পরিচালনা করি না। ফলে কুরআনের প্রচারও হয়নি।  আমাদের পক্ষে একজন অমুসলিমকে কুরআনের অনুবাদ হাদিয়া দেওয়া বা তিলাওয়াত শোনানো এতটা সহজ কাজ হলেও আমরা তা পারছি না। করতে পারছি না কুরআনের মাধ্যমে তাকে তার মহান রব আল্লাহ ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। আফসোস!
‎
‎বিপরীতে, খ্রিস্টান মিশনারীরা আমাদের দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার কপি বাইবেলের বাংলা অনুবাদ বিতরণ করছেন। সঙ্গে দিচ্ছে ঈমান বিধ্বংসী নানা বই,পুস্তিকা,লিফলেট। মহান রব আমাদের ক্ষমা করুন। আমাদের নিজেদের পাশাপাশি অমুসলিমদের মাঝে কুরআনের মেহনত করার তৌফিক দান করুন৷আল্লাহ তায়ালা আমাদের কুরআন ও সীরাত থেকে শিক্ষা নেওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন!

  • Nasir Amin

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • কুরআন—মানবজাতির জন্য চিরন্তন হেদায়েত
  • দুনিয়ার ধোঁকায় দ্বীন মানায় আপোষ নয়!
  • হিলফুল ফুযুল—অতীতের আলোকে বর্তমান জীবনের পাঠ
  • এত দাওয়াত দিই,কিন্তু…
© 2026 Nasir Amin | Powered by Nasir Amin Personal Blog theme